Mar 8, 2024 | Press Release
Dear Respective Concern, | PDF
Greetings from Karmojibi Nari!
We are delighted to inform you that KN is going to organize a Women workers gathering and colorful Rally on the occasion of International Women’s Day -2024 which will be held on 8th March 2024 in front of the press Club at 10:00 am. Shirin Akhter, Founder President of Karmojibi Nari will preside over the event.
Please find the attached press invitation letter for detailing for your kind reference.
Thanks and Regards
Hasina Akhter
Coordinator (HR & Admin)
Karmojibi Nari
01712 479501
Feb 17, 2024 | Press Release
প্রেস বিজ্ঞপ্তি | PDF
তারিখ: ১৭/০২/২০২৪
‘কর্মজীবী নারী’ প্রাতিষ্ঠানিক ও অ-প্রাতিষ্ঠানিক উভয় খাতের নারীশ্রমিকদের আর্থ-সামাজিক জীবনমান ও শ্রমঅধিকার পরিস্থিতি জানার জন্য বিভিন্ন ধরনের গবেষণা ও জরিপ পরিচালনা করে থাকে। এরই ধারাবাহিকতায় সম্প্রতি কর্মজীবী নারী ‘অক্সফ্যাম ইন বাংলাদেশ’ এর সহযোগিতায় Transforming Care Work for Women in Ready-Made Garment Sector শিরোনামে মিরপুরে অবস্থিত চারটি তৈরি পোশাক শিল্পের ১০০ জন নারী ও পুরুষ শ্রমিকের মধ্যে একটি র্যাপিড কেয়ার এ্যানালাইসিস পরিচালনা করা হয়। এর মাধ্যমে নারী’র অবৈতনিক সেবামূলক কার্যক্রমের একটি চিত্র তুলে আনা হয় এবং এর ফলে কর্মক্ষেত্রে তারা কী ধরনের বাধার সম্মুখীন হয় সে বিষয়গুলোও সনাক্ত করা হয়।
নীতি নির্ধারণী পর্যায়ে তৈরি পোশাক শিল্পের নারীশ্রমিকের ক্রমহ্রাসমান পরিস্থিতি উন্নয়নে এবং তৈরি পোশাক খাতের নারীশ্রমিকদের বাধাসমূহ দূরীকরণে কারখানা ব্যবস্থাপক থেকে শুরু করে সমাজের প্রতিটি স্তরে আলোচনা করা সহ এ বিষয়ে যথাযথ পদক্ষেপ নে্য়ার লক্ষ্যে ‘কর্মজীবী নারী’ “পোশাক শিল্পের নারীশ্রমিকের গৃহস্থালি ও যত্ন/সেবামূলক কাজের (Domestic and Care Work) দায়িত্ব, প্রভাব ও করণীয়” শীর্ষক একটি মতবিনিময় সভার আয়োজন করেছে। এই মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেছেন শাহীন আক্তার, সহসভাপতি, কর্মজীবী নারী। মতবিনিময় সভা সঞ্চালনা করেন সানজিদা সুলতানা, অতিরিক্ত নির্বাহী পরিচালক, কর্মজীবী নারী। সভায় উপস্থিত ছিলেন মেহজাবিন আহমেদ, হেড অব জেন্ডার জাস্টিস এন্ড সোশ্যাল ইনক্লুশন প্রোগ্রাম, অক্সফ্যাম, ফতেমা তুজ জোহরা, প্রাইভেট সেক্টর পার্টনারশিপ ব্রোকার, অক্সফ্যাম। এছাড়াও উক্ত অনুষ্ঠানে বিভিন্ন কারখানার কর্মকর্তাবৃন্দ, বিভিন্ন উন্নয়ন সংগঠন, আইএনজিও, একাডেমিশিয়ান, নারী সংগঠন, শ্রমিক সংগঠনের নেতৃত্ববৃন্দসহ বিভিন্ন খাতে নিয়োজিত নারী ও পুরুষ শ্রমিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
মতবিনিমিয় সভায় র্যাপিড কেয়ার এনালাইসিসের ফলাফল উপস্থাপন করেন রিনা আমেনা, প্রকল্প সমন্বয়ক, কর্মজীবী নারী। র্যাপিড কেয়ার এনালাইসিসের মাধ্যমে প্রাপ্ত তথ্য হতে জানা গেছে, তৈরি পোশাক খাতে কর্মরত নারীশ্রমিকেরা প্রতিদিন ৪.৫৭ ঘন্টা সময় গৃহস্থালি ও যত্ন/সেবামূলক কাজে ব্যয় করে যেখানে একজন পুরুষ শ্রমিক ব্যয় করে ১.৮৩ ঘন্টা। দেখা যাচ্ছে নারীরা এক্ষেত্রে পুরুষের চেয়ে ২.৭৪ ঘন্টা বেশি সময় ব্যয় করে। অন্যদিকে দেখা যায়, একজন পুরুষ নিজের জন্য সময় ব্যয় করে প্রতিদিন গড়ে ১২.৬৯ ঘন্টা যেখানে একজন নারী নিজের জন্য সময় পায় গড়ে মাত্র ৯.২০ ঘন্টা। এখানে দেখা যায়, নারীরা গড়ে প্রতিদিন নিজের জন্য পুরুষের তুলনায় ৩.৪৯ ঘন্টা কম সময় ব্যয় করে। এ থেকেই বোঝা যায়, গৃহকর্ম এবং সেবামূলক কাজে নারী ও পুরুষের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ভারসাম্যহীনতা রয়েছে যা নারীর ভালো থাকা ও নিজের প্রতি যত্ন নেয়ার ক্ষেত্রে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। যার ফলে নারী কর্মক্ষেত্রে অনেক বাধার সম্মুখীন হন যা পোশাক শিল্প হতে নারীকে সরে আসতে বাধ্য করে।
নারীশ্রমিক কাজলরেখা বলেন, আমাদের সন্তানদের দেখাশোনা করাটাই চাকরি ছেড়ে দেয়ার প্রধান কারণ্, এছাড়া সন্তানকে নিরাপদে স্কুলে আনা-নেয়া ও দেখাশোনা করার কেউ থাকে না্। ফলে বাধ্য হয়েই নারীদের চাকরি ছেড়ে দিতে হয়। এক্ষেত্রে যদি নারীশ্রমিকদের সহযোগিতা করা হয় তাহলে তারা ঝরে পড়বে না।
ট্রেড ইউনিয়ন নেতা কামরুন নাহার, সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ প্রগতিশীল গার্মেন্ট শ্রমিক ফেডারেশন বলেন, নারীদের মানসিক স্বাস্থ্যকে প্রধান্য দেয়া হয় না। সে ঘরে বাইরে অনেক কাজের চাপে থাকে। ফলে একসময় ঘর সামলানো আর চাকরি সামলানোর মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করতে না পেরে তারা কাজ ছেড়ে দেয়। তাই নারীর মানসিক স্বাস্থ্যকে প্রাধান্য দিতে হবে। তাদের যথাযথ মূল্যয়ন করতে হবে। তাহলেই কর্মক্ষেত্র থেকে নারী আর ঝরে পড়বে না।
ট্রেড ইউনিয়ন নেতা এম এ সালাম, গার্মেন্ট শ্রমিক জোট বাংলাদেশ বলেন, স্থানীয় সরকারি জনপ্রতিনিধি, কারখানা কর্তৃপক্ষ এবং সুশাীল সমাজের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় কমিউনিটি ডে কেয়ার প্রতিষ্ঠা করতে হবে এবং ডে কেয়ারে বাচ্চা রাখার সময় বাড়াতে হবে। তাইলে নারীরা দুশ্চিন্তামুক্তভাবে কাজে মনোনিবেশ করতে পারবে।
কারখানা ব্যবস্থাপক প্রতিনিধি বলেন, ডে-কেয়ার বিষয়ে শ্রম আহনে সুস্পষ্ট নির্দেশনা থাকতে হবে। কেবলমাত্র বায়ারকে দেখানোর জন্য ডে-কেয়ার স্থাপন করলে হবে না, বরং একজন শিশুকে সঠিকভাবে লালন পলন করার জন্য সকল সুযোগ সুবিধা প্রদানসহ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত পরিচর্যাকারী নিয়োগ করে ডে কেয়ার প্রতিষ্ঠা করা প্রয়োজন। এছাড়া কারখানার প্রতিনিধিরা পিতৃত্বকালীন ছুটি প্রয়োজন বলেও উল্লেখ করেন।
এছাড়া শ্রমিক, ট্রেড ইউনিয়ন নেতৃবৃন্দ ৬মাস মাতৃত্বকালীন ছুটিসহ ৬-১৮ বছর বয়সী শিশু-কিশোরদের জন্য সামাজিক নিরাপত্তার দাবিও করেছেন। নারীশ্রমিকেরা বলেন, আমরা চাই আমাদের সাথে ভালো ব্যবহার করা হোক এবং আমাদের কাজের মূল্যায়ন করা হোক। আমরা নিরাপদ কর্মপরিবেশ চাই যেখানে নারী-পুরুষের মধ্যে কোন বৈষম্য থাকবে না। আমরা চাই কারখানায় যেন একজন বাচ্চাকে রাখার মত সকল সুযোগ সুবিধা থাকে।
ফাতেমা তুজ জোহরা, প্রাইভেট সেক্টর পার্টনারশিপ ব্রোকার, অক্সফ্যাম বলেন, ফ্যাক্টরির উন্নয়নের জন্যই নারীদের অবৈতনিক পরিচর্যার চাপ কমাতে হবে। কারণ ব্যবসা করতে হলে মানবাধিকারকে অবশ্যই গুরুত্ব সহকারে দেখতে হবে। ফলে নারীকে ঘরে-বাইরে কাজের ক্ষেত্রে এমন কোন চাপে ফেলা যাবে না যা তার শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। আজকের এই সভা থেকে আমরা এমন গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশ উঠে আসবে যা দিয়ে আমরা গঠনমূলক পরিবর্তনের দিকে এগিয়ে যেতে পারব।

মেহজাবিন আহমেদ, হেড অব জেন্ডার জাস্টিস এন্ড সোশ্যাল ইনক্লুশন প্রোগ্রাম, অক্সফ্যাম বলেন, সবার আগে সামাজিক ও পারিবারিক পরিবর্তন আনতে হবে। কর্মক্ষেত্রে প্রবেশ করার পর নারীর কাজের চাপ বেড়ে গেছে। নারী শ্রমিকের পক্ষে যে আইনগুলো আছে সেগুলোর সঠিক বাস্তবায়ন দরকার। নারীর অবৈতনিক কাজের স্বীকৃতি নিয়ে অক্সফাম এবং কর্মজীবী নারী একত্রে কাজ করছে।
সভায় বক্তারা আরও বলেন, কারখানায় সরকারের নজরদারি আরও শক্তিশালী করতে হবে। কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের ফ্যাক্টরিতে নিয়মিত পরিদর্শন প্রয়োজন। এছাড়াও শ্রমিকের পুষ্টি চাহিদা পূরণের জন্য রেশন এবং চাকুরি শেষে পেনশনের ব্যবস্থা করতে হবে।
মতবিনিময় সভার সভাপতি শাহীন আক্তার, সহসভাপতি, কর্মজীবী নারী বলেন, আমরা চাই গার্মেন্টস শ্রমিকদের জন্য নিরাপদ আবাসস্থল তৈরি করা হোক। যেখানে শিশুদের জন্য ডে কেয়ার এবং বিদ্যালয় থেকে শুরু করে সকল সুযোগ-সুবিধা থাকবে। তিনি সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে সভা শেষ করেন। মতবিনিময় সভা সঞ্চালনা করেন সানজিদা সুলতানা, অতিরিক্ত নির্বাহী পরিচালক, কর্মজীবী নারী।
Feb 16, 2024 | Press Release
প্রেস বিজ্ঞপ্তি
১৬/০২/২০২৪
বরাবর
বার্তা সম্পাদক/প্রধান প্রতিবেদক/এসাইনমেন্ট অফিসার
মহোদয়,
কর্মজীবী নারী’র পক্ষ থেকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ‘কর্মজীবী নারী’ প্রাতিষ্ঠানিক ও অ—প্রাতিষ্ঠানিক উভয় খাতের নারীশ্রমিকদের আর্থ—সামাজিক জীবনমান ও শ্রমঅধিকার পরিস্থিতি জানার জন্য বিভিন্ন ধরনের গবেষণা ও জরিপ পরিচালনা করে থাকে। এরই ধারাবাহিকতায় সম্প্রতি কর্মজীবী নারী’র পক্ষ থেকে ‘অক্সফ্যাম ইন বাংলাদেশ’ এর সহযোগিতায় Transforming Care Work for Women in Ready-Made Garment Sector শিরোনামে মিরপুরে অবস্থিত চারটি তৈরি পোশাক শিল্পের ১০০ জন নারী ও পুরুষ শ্রমিকের মধ্যে একটি র্যাপিড কেয়ার এ্যানালাইসিস পরিচালনা করা হয়। এর মাধ্যমে নারী’র অবৈতনিক সেবামূলক কার্যক্রমের একটি চিত্র তুলে আনা হয় এবং এর ফলে কর্মক্ষেত্রে তারা কী ধরনের বাধার সম্মুখীন হয় সে বিষয়গুলোও সনাক্ত করা হয়।
নীতি নির্ধারণী পর্যায়ে তৈরি পোশাক শিল্পের নারীশ্রমিকের ক্রমহ্রাসমান পরিস্থিতি উন্নয়নে এবং তৈরি পোশাক খাতের নারীশ্রমিকদের বাধাসমূহ দূরীকরণে কারখানা ব্যবস্থাপক থেকে শুরু করে সমাজের প্রতিটি স্তরে আলোচনা করাসহ এ বিষয়ে যথাযথ পদক্ষেপ নেয়ার লক্ষ্যে ‘কর্মজীবী নারী “পোশাক শিল্পের নারীশ্রমিকের গৃহস্থালি ও যত্ন/সেবামূলক কাজের (Domestic and Care Work) দায়িত্ব, প্রভাব ও করণীয়” শীর্ষক একটি মতবিনিময় সভার আয়োজন করতে যাচ্ছে। এই মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করবেন শাহীন আক্তার, সহসভাপতি, কর্মজীবী নারী। এছাড়াও উক্ত অনুষ্ঠানে বিভিন্ন কারখানার কর্মকর্তাবৃন্দ, বিভিন্ন উন্নয়ন সংগঠন, আইএনজিও, একাডেমিশিয়ান, নারী সংগঠন, শ্রমিক সংগঠনের নেতৃত্ববৃন্দসহ বিভিন্ন খাতে নিয়োজিত নারী ও পুরুষ শ্রমিকবৃন্দ।উপস্থিত থাকবেন।
| অনুষ্ঠান: |
মতবিনিময় সভা |
| বিষয়: |
“পোশাক শিল্পের নারীশ্রমিকের গৃহস্থালি ও যত্ন/সেবামূলক কাজের (Domestic and Care Work) দায়িত্ব, প্রভাব ও করণীয়” |
| সময় ও ভেন্যু: |
১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ শনিবার, সকাল ১০:৩০-দুপুর ০১.০০ টা পর্যন্ত,
বাংলাদেশ সেন্টার ফর কমিউনিকেশন প্রোগ্রাম (বিসিসিপি), প্লট # ৮, রোড# ০৩, ব্লক — এ, সেকশন—১১, মিরপুর, ঢাকা—১২১৬ |
অনুগ্রহপূর্বক উক্ত আয়োজনে আপনার বহুল প্রচারিত জাতীয় দৈনিক/দর্শক নন্দিত টেলিভিশন চ্যানেল/বার্তা সংস্থার পক্ষ থেকে একজন প্রতিবেদক ও একজন চিত্র সাংবাদিক/একজন ক্যামেরা ক্র্রু পাঠানোর অনুরোধ করছি।
ধন্যবাদ
রিনা আমেনা
প্রকল্প সমন্বয়ক
কর্মজীবী নারী | PDF
Oct 25, 2023 | Press Release
It gives us immense pleasure to inform you that Karmojibi Nari (KN) is going to Organize a significant Consultation Meeting on “The Vulnerability of Women and Women Workers in the Post-Covid-19: Needs and Realities of Decent Work and Social Protection” supported by Christian Aid. The Consultation Meeting is scheduled to take place on 25 October 2023, Wednesday from 10:30 am to 01:00 pm at Azimur Rahman Conference Hall, Daily Star, Farmgate, Dhaka. We are honored to have Honorable Parliament Member Barrister Shameem Haider Patwary MP, (Gaibandha-1) as Chief Guest.
Concept note for National level consultation-25 October 2023_PDF
Press Release for Consultation Meeting-Karmojibi Nari_PDF
Sep 27, 2023 | Press Release
বাস্তবায়নে- কর্মজীবী নারী
সহযোগিতায়-ALDI | PDF
আজ ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৩, মঙ্গলবার “ALDI ইন্ডাস্ট্রি সাসটেইনেবিলিটি প্রজেক্ট” এর আওতায় ঢাকার হোটেল সারিনায় দিনব্যাপী “লার্নিং শেয়ারিং মিটিং” অনুষ্ঠিত হয়। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে ‘কর্মজীবী নারী’ এবং সহযোগিতা করছে ALDI। উক্ত সভার সভাপতিত্ব করেন জনাব এস এম নুরুল আজম, পরিচালক-সি আর ইউনিট এশিয়া, ALDI। প্রকল্প কার্যক্রমের সারমর্ম উপস্থাপনা এবং সভা পরিচালনা করেন জনাব মো. ওমর ফারুক। এছাড়াও সভায় উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন কারখানার মালিক প্রতিনিধি, ব্যবস্থাপনা কর্মী, শ্রমিক প্রতিনিধি, অখউও’র ব্যবসায়ীক অংশিদার ও কর্মজীবী নারী’র কর্মকর্তাবৃন্দ।
পরিচয় পর্ব ও কারখানা সুরক্ষা বিষয়ক অনুপ্রেরণামূলক সংগীতের পর সভার মূল কার্যক্রম শুরু হয়। সভায় “ALDI ইন্ডাস্ট্রি সাসটেইনেবিলিটি প্রজেক্ট” এর অর্জন, অভিজ্ঞতা, শিক্ষণীয় বিষয় ও চ্যালেঞ্জ সমূহ তুলে ধরা হয়। ALDI ইন্ডাস্ট্রি সাসটেইনেবিলিটি প্রজেক্ট এর অন্যতম কম্পোনেন্ট কারখানাভিত্তিক শিশু যত্ন কেন্দ্র (FBCC) এর পক্ষ থেকে একটি আকর্ষণীয় প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয় যেখানে শিশু যত্ন কেন্দ্রে শিশুদের জন্য ব্যবহৃত বিভিন্ন খেলনা এবং শিক্ষা উপকরণসহ তাদের মানসিক বিকাশে সহায়তাকারী বিভিন্ন উপকরণ প্রদর্শন করা হয়। এই প্রকল্পের আওতায় পরিচালিত ‘কারখানার ব্যবস্থাপনা কর্মী ও শ্রমিক প্রতিনিধিদের দক্ষতা উন্নয়ন মূলক প্রশিক্ষণ’ সম্পর্কে প্যানেল আলোচনা এবং প্রশিক্ষণে ব্যবহৃত বিভিন্ন উপকরণ সামগ্রী প্রদর্শন করা হয়। এছাড়া অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে প্রশিক্ষণ বিষয়ক কুইজ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। এছাড়াও সমাপনী পর্বে প্রকল্পের বিভিন্ন অর্জনের স্বীকৃতি সরূপ ১২টি কারখানা এবং ছয়টি ব্যবসায়ীক অংশিদার প্রতিষ্ঠানকে পুরস্কৃত করা হয়।
সভায় কর্মজীবী নারী’র অতিরিক্ত নির্বাহী পরিচালক সানজিদা সুলতানা বলেন, কর্মজীবী নারী ১৯৯১ সাল থেকে বাংলাদেশের তৈরী পোশাক খাতের শ্রমিকদের দক্ষতা উন্নয়নের জন্য কাজ করছে, এছাড়াও তৈরী পোশাক কারখানার নারীশ্রমিকদের সন্তানদের জন্য শিশু যত্ন কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা ও কার্যকর করার ব্যাপারেও বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করে আসছে। তিনি মনে করেন, তৈরী পোশাক খাতের টেকসই উন্নয়নের জন্য শ্রমিকদের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং কার্যকর শিশু যত্ন কেন্দ্র অত্যন্ত জরুরি। সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন, ALDI হেড কোয়ার্টার প্রতিনিধি- ক্যাথরিনা রোসো, তেরেসা হোম ও অন্যান্য।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশ বিশ্বে তৈরি পোশাক খাতের অন্যতম শীর্ষ উৎপাদনকারী দেশ এবং ALDI’র তৈরি পোশাক পণ্যসমূহের জন্য অন্যতম প্রধান সরবরাহকারী দেশ। তাই বাংলাদেশের তৈরি পোশাক উৎপাদন কারখানাসমূহের কর্মপরিবেশ উন্নতির পাশাপাশি এ খাতকে টেকসই করার লক্ষ্যে ALDI কাজ করে যাচ্ছে।
News Link: tvbd.com | jugantor.com
Aug 24, 2023 | Press Release
প্রেস বিজ্ঞপ্তি
তারিখ: ২৩/০৮/২০২৩
সামাজিক সুরক্ষা নীতিমালায় অপ্রাতিষ্ঠানিক শ্রমিকদের অন্তর্ভুক্ত করতে হবে-
– শিরীন আখতার এমপি
নারীশ্রমিকদের ঐক্যবদ্ধ প্লাটফর্ম ‘নারীশ্রমিক কণ্ঠ’ থেকে কর্মজীবী নারী ও ফ্রিডরিক-এবার্ট-স্টিফটুং (এফইএস) বাংলাদেশ-এর যৌথ আয়োজনে আজ ২৩ আগস্ট, ২০২৩ বুধবার সকাল ১০:৩০-দুপুর ০১ টা পর্যন্ত আজিমুর রহমান কনফারেন্স হল, ডেইলি স্টার ভবন, ফার্মগেট, ঢাকায় আয়োজিত হল “অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত নারীশ্রমিকদের সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিতকরণে করণীয়” শীর্ষক সেমিনার ।
সেমিনারে শিরীন আখতার, এমপি, প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, কর্মজীবী নারী এবং সমন্বয়ক, নারীশ্রমিক কন্ঠ-এর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন: ফেলিক্স কল্বিট্স, আবাসিক প্রতিনিধি, ফ্রিডরিক-এবার্ট-স্টিফটুং (এফইএস), বাংলাদেশ এবং ড. মোহাম্মদ আব্দুল কাদের, উপসচিব, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়। সম্মানিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন: আয়শা সিদ্দিকী, উপপরিচালক (পরিকল্পনা ও মূল্যায়ন), মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং রোখসানা চৌধুরী, উপপরিচালক (মেডিকেল ও শ্রম কল্যাণ শাখা), শ্রম অধিদপ্তর, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ, রাজেকুজ্জামান রতন, সভাপতি, সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক ফ্রন্ট, ড. এম. আবু ইউসুফ, অধ্যাপক ও সাবেক চেয়ারম্যান, ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ বিভাগ এবং পরিচালক, সেন্টার অন বাজেট এন্ড পলিসি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়; নির্বাহী পরিচালক, রিসার্চ এন্ড পলিসি ইন্টিগ্রেশন ফর ডেভেলপমেন্ট (আরএপিআইডি), জাকিয়া হক, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, ক্রিয়েটিভ পাথওয়েজ বাংলাদেশ।
এছাড়াও উক্ত সেমিনারে নারীশ্রমিকবৃন্দসহ উপস্থিত ছিলেন ট্রেড ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন উন্নয়ন প্রতিষ্ঠান, এবং সংবাদিকবৃন্দ। সেমিনারটি সঞ্চলনা করেন উম্মে হাসান ঝলমল, সহ-সভাপতি, কর্মজীবী নারী এবং সদস্য, নারীশ্রমিক কন্ঠ।
শুরুতেই শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন শারমিন কবীর, সাধারণ সম্পাদক, কর্মজীবী নারী। সেমিনারে অপ্রাতিষ্ঠানিক “খাতে নিয়োজিত নারীশ্রমিকদের সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিতকরণে করণীয়” বিষয়ের উপর ধারণাপত্র উপস্থাপন করেন আসাদ উদ্দিন, সমন্বয়ক, বাংলাদেশ সোশ্যাল প্রটেকশন এডভোকেসি নেটওয়ার্ক (বিএসপিএএন)।
সেমনিারে পার্লার কর্মী ও গৃহশ্রমিক বক্তব্য রাখেন। তারা বলেন, আমাদের কোন চাকরির নিশ্চয়তা, মাতৃত্বকালীন ছুটি বা নির্দিষ্ট কর্মঘন্টা নেই। তারা চাকরির নিশ্চয়তা, মাতৃত্বকালীন ছুটি বা নির্দিষ্ট কর্মঘন্টা দাবি করেন।
বিশেষ অতিথি ফেলিক্স কল্বিট্স, বলেন, সকল ক্ষেত্রের শ্রমিকদের জন্য একটি সর্বজনীন শ্রমআইন প্রণয়ন করা প্রয়োজন। আরেকজন বিশেষ অতিথি মোহাম্মদ আব্দুল কাদের বলেন, বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ তহবিল থেকে অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতের শ্রমিকদের সেবা পাওয়ার সুযোগ রয়েছে। এছাড়া এই মন্ত্রণালয়ের অধীনে এমপ্লয়মেন্ট ইনজুরি স্কিম (EIS) নামে একটি পাইলট প্রকল্প চলছে যা সফল হলে বিভিন্ন খাতে সম্প্রসারণ করবে।
এছাড়া সেমিনারে উপস্থিত অন্যান্য বক্তারা বলেন, শ্রমিকদের একটি তথ্যসংবলিত ডাটাবেজ তৈরি করা প্রয়োজন যা সঠিক ব্যক্তির কাছে যেন সঠিক সেবা পৌঁছানোর ক্ষেত্রে সহায়ক হবে। তারা শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন তহবিলের সুবিধা প্রচারে মিডিয়াকে এগিয়ে আসার আহবান জানান। এছাড়া জীবন-মান উপযোগী মজুরি, নারীশ্রমিকদের মাতৃত্বকালীন সুবিধা, নির্দিষ্ট কর্মঘন্টা, সাপ্তাহিক ছুটি, শোভন কাজের পরিবেশ, শ্রমিকদের মর্যাদা ও শ্রমের স্বীকৃতি নিশ্চিত করার দাবি জানান।
সভাপতির বক্তব্যে শিরীন আখতার এমপি বলেন, অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতের শ্রমিকদের শ্রম আইনের আওতাভূক্ত করা কিংবা তাদের জন্য আলাদা কোন আইন প্রণয়ন করা যায় কিনা এ বিষয়ে আমাদের ভাবতে হবে। তিনি শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন তহবিলের সুযোগ যেন শ্রমিকেরা সঠিকভাবে পায় এ বিষয়ে মনিটরিং বৃদ্ধির পরামর্শ দেন।
সুপারিশসমূহ:
• অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতকে সবার কাছে গ্রহণযোগ্য ও স্পষ্টভাবে সংজ্ঞায়িত করা;
• শ্রম আইনে শ্রমিক হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া। জাতীয় বাজেটে অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতের শ্রমিকদের জন্য বিশেষ বরাদ্দ প্রদান;
• বিদ্যমান আইনী কাঠামোর সংস্কার সাধন;
• সরকারি নীতি-নির্ধারণ ও কার্যক্রমসমূহের মাধ্যমে নারীশ্রমিকদের অর্থনৈতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের মূলধারায় এনে তাদের দুরবস্থা ও অসহায়ত্ব দূর করার উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে;
• অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতের নারীশ্রমিকদের জন্য শোভন কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করা ;
• অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতের শ্রমিকদের সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করা:
• সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থাপনায় অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতের শ্রমিকদের বিশেষ ব্যবস্থা রাখা;
• সামাজিক সংলাপ ;
• নারীশ্রমিকের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে সক্ষমতা বৃদ্ধিমূলক কার্যক্রম হাতে নেয়া;
• বিভিন্ন ধরনের কারিগরি ও বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ
• অপ্রাতিষ্ঠানিক শ্রমিক বিশেষ করে নারীশ্রমিকদের অধিকার রক্ষায় বিভিন্ন নীতিমালা প্রণয়ন
• আইএলও কনভেনশন ১৯০, ১৭৭, ১৮৭ সহ অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতের শ্রমিকদের অধিকার সংক্রান্ত কনভেনশন অনুসমর্থন
• আইএলও কনভেনশন ১০২ অনুসমর্থন
• সংগঠন ও ট্রেড ইউনিয়ন গঠনের অধিকার নিশ্চিত করা।
ধন্যবাদ
হাছিনা আক্তার
সমন্বয়ক
কর্মজীবী নারী
যোগাযোগ: হাছিনা আক্তার ০১৭১২৪৭৯৫০১