Jul 22, 2019 | Newspaper Clip
কর্মক্ষেত্রে যৌন হয়রানি প্রতিরোধ, সুরক্ষা আইন প্রণয়ন ও আইএলও কনভেনশন ১০৯ অনুসমর্থনের লক্ষ্যে জেন্ডার প্ল্যাটফর্মের সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা। জাতীয় প্রেসক্লাব, ঢাকা, ২০ জুলাই। ছবি: দীপু মালাকার
(more…)
May 18, 2019 | News and Events, Post Press Release
“আগামী জুন মাসের বাজেটে নারীর ঘরের কাজের স্বীকৃতি এবং জিডিপিতেও তার মূল্য অন্তর্ভুক্ত করা হোক”
-শিরিন আখতার এমপি.
আজ ১৭ মে ২০১৯ কর্মজীবী নারীর উদ্যোগে ‘সিডও সনদ বাস্তবায়নে পোশাক শিল্প কারখানায় নারীর জন্য নিরাপদ ও নারীবান্ধব কর্মপরিবেশ বিষয়ে গবেষণা হতে প্রাপ্ত ফলাফলসমূহ শ্রমিকদের অবহিত করার লক্ষ্যে নারীশ্রমিক জমায়েত’ শীর্ষক একটি সভা অনুষ্ঠিত হয় ৪ নং ওয়ার্ড কমিউনিটি সেন্টার, মিরপুর- ১৩ ঢাকা। উক্ত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিরীন আখতার এম.পি। রায় রমেশের মৃত্যুতে কর্মজীবী নারীর শোক প্রকাশ ও শ্রদ্ধা নিবেদন এর মাধ্যমে শুরু হওয়া এই সভায় কর্মজীবী নারীর নির্বাহী পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) সিতি সালমা খান স্বাগত বক্তব্য রাখেন। আরো বক্তব্য রাখেন জাতীয় শ্রমিক জোট বাংলাদেশ এর সহ সাংগঠনিক সম্পাদক (কেন্দ্রীয় কমিটি) শাহীন আক্তার পারভীন, কর্মজীবী নারীর নির্বাহী কমিটির সদস্য এবং সাবেক সাংসদ সদস্য রাফিয়া আক্তার ডলি এবং ধারণা পত্র পাঠ করেন কর্মজীবী নারী’র পরিচালক সানজিদা সুলতানা। অনুষ্ঠানটির সভাপতিত্ব করেন কর্মজীবী নারীর সভাপতি ড. প্রতিমাপাল-মজুমদার।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিরীন আখতার এমপি. সিডও সনদে নারীর অধিকার ও মর্যাদার কথা বলা হয়েছে উল্লেখ করে নারীর ঘরের কাজের মূল্য যেন আগামী জুন মাসের বাজেটে অন্তর্ভুক্ত করা হয় এবং জিডিপি তে নারীর কাজের মূল্য অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানান। সম্প্রতি নুসরাত ও তানিয়ার সাথে ঘটে যাওয়া ঘটনার কথা বর্ণনা করে তিনি নারীর উপর সকল ধরণের নির্যাতন এর জন্য দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন। নারী শ্রমিকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন আজ আমাদের ঐক্যবদ্ধ হতে হবে, একদিকে কারখানায় কাজ করবো, আরেকদিকে নিজের মর্যাদা বাড়াবো, একদিকে কারখানায় কাজ করবো, আরেকদিকে নায্য মজুরির দাবি করবো, ওভারটাইমের জন্য লড়াই করবো, সুন্দর জীবন গড়বো।
বক্তব্যে শাহীন আখতার পারভীন বলেন, দীর্ঘ ২৭ বছর ধরে কর্মজীবী নারী নারীশ্রমিকের সমঅধিকার ও সমমর্যাদার জন্য কাজ করছে, তারই প্রেক্ষিতে তিনি বলেন, একজন শ্রমিক কাজ করবে মর্যাদার সাথে নিরাপদ কর্মপরিবেশে।
রাফিয়া আক্তার ডলি তার বক্তব্যে বলেন, অভিবাসী শ্রমিক এবং বাংলাদেশের গার্মেন্ট শ্রমিকদের আয়ের উপরেই এই দেশ মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হয়েছে। তিনি সিডও সনদের দাবি এবং কর্মজীবী নারীর দাবি বাস্তবায়নের উপর জোর দিয়ে শ্রমিকদের একত্রিত হওয়ার আহ্বান জানান। বাংলাদেশের সব আন্দোলন শ্রমিক আন্দোলন দিয়ে শুরু হয়েছে বলে উল্লেখ করে তিনি শ্রমিকের উদ্দেশ্যে বলেন, তাদের দায়িত্ব হলো শ্রমের ন্যায্য মূল্য বুঝে নেওয়া। তিনি তাদেরকে সংঘবদ্ধভাবে ট্রেড ইউনিয়ন গড়ে তোলার আহ্বান জানান।
কর্মজীবী নারীর সভাপতি ড. প্রতিমা পাল- মজুমদার অনুষ্ঠানের সভাপতির বক্তব্যে বলেন, এই পোশাক শিল্প কারখানার উন্নতির জন্য মালিক- শ্রমিক এবং সরকারের কিছু দায়িত্ব রয়েছে, মালিক যখন শ্রমিকের উপর নির্যাতন করে তখন তার মনের উপর বিরূপ প্রভাব পড়ে ফলে কাজের উৎপাদনশীলতা কমে যায়, এই কারণে উৎপাদনশীলতা ভারসাম্যের জন্য শ্রমিকের কাজের ভালো পরিবেশ যতটুকু জরুরি তার চেয়ে বেশি প্রয়োজন মালিকের জন্য।
বার্তা প্রেরক
সানজিদা সুলতানা
পরিচালক
যোগাযোগ: ফারহানা আফরিন তিথি (০১৫৭১৭৯৬৯৮৭)
—–
প্রেসবিজ্ঞপ্তি
তারিখ: ১৭ মে, ২০১৯
May 17, 2019 | Pre Press Release
প্রেস বিজ্ঞপ্তি
তারিখ: ১৬/০৫/২০১৯
বরাবর
বার্তা সম্পাদক/ প্রধান প্রতিবেদক/ এসাইনমেন্ট অফিসার
মহোদয়,
কর্মজীবী নারী’র পক্ষ থেকে সংগ্রামী শুভেচ্ছা! সকল শ্রেণি-পেশা নির্বিশেষে নারীর অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ‘কর্মজীবী নারী’ তার প্রতিষ্ঠালগ্ন ১৯৯১ সাল থেকেই কাজ করে আসছে। এরই ধারাবাহিতায় সাউথ এশিয়া উইমেন ফান্ড-এর অর্থায়নে এবং ইন্টারন্যাশনাল উইমেন’স রাইট্ধসঢ়;স একশন ওয়াচ (এশিয়া প্যাসিফিক)- এর সহযোগিতায় কর্মজীবী নারী ‘স্ট্রেনদেনিং ইমপ্লিমেন্টেশন অব সিডও উইথ এ ফোকাস অন উইমেন’স ইকোনমিক, সোস্যাল এন্ড কালচালারাল রাইটস’ প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে। এর আওতায় কর্মজীবী নারী সিডও সনদের ধারা ১১ (এমপ্লয়মেন্ট)-এর সুপারিশ নং ৩১ (গ) অনুযায়ী পোশাক শিল্প কারখানায় নারীদের নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিতকরণ ও তা বাস্তবায়নের জন্য একটি গবেষণার কাজ হাতে নিয়েছিল, যে গবেষণার কাজটি ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। এ গবেষণায় পোশাক শিল্প কারখানায় নারীদের নিরাপদ কর্মপরিবেশের বর্তমান অবস্থা পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে। গবেষণাটিতে ঢাকা, গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জ- এর ৩০০ টি পোশাক কারখানার ‘পোশাক শিল্প কারখানায় নারীদের নিরাপদ কর্মপরিবেশ’ বিষয়টির উপর ৩০১৪ জন শ্রমিকের মতামত নেয় হয়েছে।
এই গবেষণার ফলাফল নিয়ে ইতিমধ্যে সরকারি ও সরকারের বিভিন্ন অংশীদারিত্বমূলক প্রতিষ্ঠান, মানবাধিকার, ট্রেড ইউনিয়ন ও নারী শ্রমিক অধিকার বিষয়ে কর্মরত প্রতিষ্ঠানের সাথে আলোচনা করা হয়েছে। এরই ধারাবাহিতায় গবেষণার মূল অংশগ্রহণকারী সাধারণ শ্রমিকের মধ্যে গবেষণাটির তথ্য বিনিময় করার জন্য নারীশ্রমিক জমায়েত ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে। উক্ত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন কর্মজীবী নারী’র প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি নারীনেত্রী শিরীন আখতার এমপি, অনুষ্ঠানটির সভাপতিত্ব করবেন কর্মজীবী নারীর সভাপতি ও গবেষক ড. প্রতিমা পাল মজুমদার। বিশেষ অতিথি হিসেবে থাকবেন মোঃ জামাল মোস্তফা, কাউন্সিলর, ৪ নং ওয়ার্ড, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন। এছাড়া আরো উপস্থিত থাকবেন বৃহত্তর মিরপুর এরিয়ার বিভিন্ন ওয়ার্ড এর কাউন্সিলরগন, জাতীয় পর্যায়ের ট্রেড ইউনিয়ন নের্তৃবৃন্দ, মানবাধিকার কর্মী, বিভিন্ন শ্রেণি পেশার নাগরিকগণ ও বিভিন্ন পোশাক শিল্প কারখানার নারীশ্রমিকবৃন্দ। উক্ত সভায় অংশগ্রহণের জন্য আমন্ত্রণ জানাচ্ছি।
বিষয় : চলমান যৌন নির্যাতন ও সহিংসতা প্রতিরোধে নারীশ্রমিক জমায়েত এবং ‘পোশাক শিল্প কারখানায় নারীবান্ধব ও নিরাপদ কর্মপরিবেশ’ বিষয়ক গবেষণা হতে প্রাপ্ত ফলাফলসমূহ শ্রমিকদের অবহিত করার জন্য ও আলোচনা সভা।
তারিখ, স্থান ও সময় : ১৭ মে ২০১৯, শুক্রবার, দুপুর ০৪:০০ টা থেকে বিকাল
কর্মজীবী নারী
কর্মজীবী নারী, গ্রীন এভিনিউ পার্ক, বাড়ি-০১, এপার্টমেন্ট বি৮, রোড-০৩, ব্লক-এ, সেকশন-০৬, মিরপুর,
ঢাকা-১২১৬; টেলিফোন: ০২ ৫৮০৫১৫৪৫, ফ্যাক্স: ০২ ৫৮০৫১৫৪৬
০৭:০০ টা পর্যন্ত, চলমান যৌন নির্যাতন ও সহিংসতা প্রতিরোধে নারীশ্রমিক জমায়েত মিরপুর- ১৩ এর হারম্যান মেইনর স্কুল এর সামনের রাস্তায় এবং আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে ৪ নং ওয়ার্ড কমিউনিটি সেন্টার, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন, মিরপুর- ১৩ আপনাদের অব্যাহত সহযোগিতার জন্য ধন্যবাদ।
ধন্যবাদ

সানজিদা সুলতানা
পরিচালক, কর্মজীবী নারী
May 8, 2019 | Newspaper Clip
Prothom Alo English Desk | Update: 18:53, May 07, 2019
An estimated 22.4 per cent female readymade garment (RMG) workers face sexual harassment at factories, a study by Manusher Jonno Foundation (MJF) finds, reports UNB.
MJF executive director Shaheen Anam said the study was conducted at 22 factories in Dhaka and Chattogram between March and May last year.
Speaking as the chief guest at the event held at the National Press Club, Shirin Akther, MP said girls are victims of sexual harassment at education institutions, too. She urged the authorities concerned to be more conscious in this regard.
President of Karmajibi Nari Pratima Paul Majumder said awareness is the most important tool to curb sexual violence at education institutions and the workplace.
“The rate of sexual harassment will go down when there’ll be a good relationship between the workers and factory owners,” she said.
The study identified a culture of impunity, inaction and nonchalant attitude of authorities towards sexual harassment as some of the key reasons for this workplace menace.
The majority of male and female respondents said women fall victims to sexual harassment as they are weak and do not protest.
But 21 per cent male and seven percent female respondents were of the opinion that women become victims to sexual harassment because of their dresses. Ylva Sahlstrand, second secretary of Swedish International Development Cooperation Agency, said the female workers need to be conscious at workplaces. “Education can create the awareness,” she said. “Anti-sexual committees must support female workers. Factories owners, management and trade unions should come forward in this regard. Besides, social dialogue is also needed here,” Sahlstrand added.
Link: Prothom Alo | PDF
May 8, 2019 | Newspaper Clip
Staff correspondent | Published: 01:11, May 08,2019
At least 22.8 per cent female workers in different garment factories in Bangladesh were sexually harassed in their workplaces, said a study.
Manusher Jonno Foundation uncovered the study on Tuesday at the National Press Club in Dhaka.
MJF conducted the survey in 22 factories in Dhaka and Chattogram in between March and May 2018.
MJF in cooperation with Karmajibi Nari and Sweden Sverige organised the study finding dissemination on sexual harassment against female garment workers at workplace.
The study showed that sexual abuse in workplaces continued as authorities did not take any action to stop it and accused hardly face trial.Garment workers and trade union leaders said that many victims did not complain to the authorities fearing termination following the incident.
Trade union leader Khairul Mamun Mintu said that only functional trade union could stop sexual harassment and ensure workers’ rights.
Speaking as chief guest member of the parliament Shirin Akhter said that parliament members discussed about sexual harassment after Nusrat killing but they did not take any decision to control it.
She also said that a strong woman movement was needed to stop all types of sexual harassment.
MJF executive director Shaheen Anam said that trade unions could reduce sexual harassment in workplaces.
She urged the government to enact an anti-harassment law following High Court’s order.
Karmajibi Nari president Pratima Paul said that harassment hampered production so the factory owner should take care of the issue for their own interest.
Centre for Policy Dialogue research director Khondaker Golam Moazzem, Fair Wear Foundation Bangladesh representative Bablur Rahman and second secretary of SIDA Ylva Sahlstrand spoke, among others.
One of the researchers Marshia Ahmed Talukder said that out of 22 factories they found anti-harassment committee in only three factories. But none of the factories formed the committees of their own initiative.
Link: NEW AGE Bangladesh | PDF