বাজার সিন্ডিকেট ভেঙ্গে দিয়ে, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম কমাও | তেল-গ্যাস, বিদ্যুসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে সমাবেশ ও মিছিল

তেল–গ্যাস, বিদ্যুৎসহ নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে কর্মজীবী নারী প্রতিবাদ সমাবেশ ও বিক্ষোভ করেছে। আজ ৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ সোমবার বিকালে মিরপুর-১ নাম্বার গোল চত্বরে এই বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। পরে একটি বিক্ষোভ মিছিল মিরপুরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

কর্মজীবী নারী’র সহ-সভাপতি উম্মে হাসান ঝলমল এর সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন: কর্মজীবী নারী’র অতিরিক্ত নির্বাহী পরিচালক সানজিদা সুলতানা, সমন্বয়ক হাছিনা আক্তার, জাতীয় শ্রমিক জোট-বাংলাদেশ এর কেন্দ্রীয় কমিটির দপ্তর সম্পাদক রাজীব আহমেদ, ঢাকা মহানগর এর যুগ্ম আহবায়ক শেখ শাহানাজ, শ্রমিক নেত্রী নারগিস আক্তার প্রমুখ। 

বক্তারা বলেন, দফায়–দফায় গ্যাস, বিদ্যুৎ, পানির দাম বাড়ানো হচ্ছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যসহ পরিবহন ব্যয়, বাসাভাড়া, শিক্ষার খরচসহ নিত্যপণ্যের সবকিছুর দাম বেড়েছে। দুই বছর মেয়াদি মহামারিকাল পার হতে গিয়ে দেশের মানুষ সর্বস্ব হারিয়েছে। এত বড় মহামারি সংকট কাটিয়ে উঠতে মানুষ যখন সর্বাত্মক চেষ্টা চালাচ্ছে, তখন সরকার তাদের পাশে না দাঁড়িয়ে মানুষের ওপর আরও বেশি দ্রব্যমূল্যের বোঝা চাপিয়ে দিচ্ছে। যা আর সহ্য করা সম্ভব হচ্ছে না।

বক্তারা বলেন, গত ২ বছরে ভোজ্যতেলের দাম ৭৯ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। দ্রব্যমূল্যর এই ঊর্ধ্বগতি জনগণের জীবনে নাভিশ্বাস তুলেছে। সরকার লোকসানের দোহাই দিয়ে সব সময় জনগণের পকেট কাটছে। একদল অসৎ মানুষ দেশের অর্থ পাচার করে বিদেশে সম্পদের পাহাড় গড়ছে। দেশের সাধারণ মানুষের স্বার্থের কথা চিন্তা করে অবিলম্বে রেশনিংয়ের ব্যবস্থা চালু করতে হবে।

সরকারের দুর্বল বাজার মনিটরিংয়ের জন্য এমন বাজার সিন্ডিকেট বারবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে। সংসদে জাতীয় বাজেট পেশকালে জ্বালানি তেল ও সারের দাম পর্যায়ক্রমে ও স্বল্প আকারে বাড়িয়ে সমন্বয় করার কথা বলেছেন অর্থমন্ত্রী। জ্বালানি তেলের সঙ্গে সরাসরি পরিবহন খরচ যুক্ত। তেলের দাম আরো বাড়লে এর প্রভাব অন্যান্য খাতেও পড়বে। প্রস্তাবিত বাজেটে জ্বালানি তেলে ভর্তুকিতে কোনো অর্থ বরাদ্দ প্রস্তাব করা হয়নি। অপরদিকে বিদ্যুৎ উৎপাদনে ক্যাপাসিটি চার্জের নামে সরকার বছরে হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি দিয়েই চলছে যা জনগণের পকেট কাটার সামিল।

বক্তারা আরও বলেন, যথাযথ বাজার মনিটরিং হচ্ছে না। শুধু নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের শুল্ক নয়, সর্বস্তরের ভ্যাট কমিয়ে জনগণের বাঁচার ব্যবস্থা করতে হবে। তেল-গ্যাস-বিদ্যুৎ ও পণ্যের দাম জনগণের আয়ত্তের মধ্যে রাখার জোর আহ্বান জানান বক্তারা।

বার্তা প্রেরক
রাজীব আহমেদ
সমন্বয়ক (প্রোগ্রাম), কর্মজীবী নারী
০১৭৫০৩৭৭৯৩৯

 

News Link:

 

Share This