No Results Found
The page you requested could not be found. Try refining your search, or use the navigation above to locate the post.
Three days long ‘National ToT Workshop on Facilitation & Negotiation skill’, from 24 to 26 April 2018; under the ‘Sustainable and Responsible Actions for Making Industries Care (SRAMIC) Project’ is holding in CBCB, Asadgate, Mohammadpur, Dhaka.
“শ্রমিক সংগঠনগুলো একত্রিত না হলে কোনো দাবিই পূরণ হবে না”
১৬ এপ্রিল কর্মজীবী নারীর উদ্যোগে ও স্ট্র্যাটেজিক পার্টনার হিসেবে নারী পক্ষের অংশগ্রহণে ‘পোশাক শিল্প কারখানায় চাই নারীর জন্য নিরাপদ কর্মপরিবেশ’এই আহŸানে জাতীয় প্রেস ক্লাব-এর ভিআইপি লাউঞ্জে, এক মত বিনিময় সভায় ট্রেড ইউনিয়ন নেতৃবৃন্দের সাথে সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর এর পক্ষ থেকে প্রতিনিধি নুসরাত জাহান, এসিস্ট্যান্ট ইন্সপেক্টর জেনারেল। কর্মজীবী নারীর সভাপতি ড. প্রতিমাপাল-মজুমদারের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক ফ্রন্ট এর সাধারণ সম্পাদক রাজেকুজ্জামান রতন, জাতীয় গার্মেন্টস শ্রমিক জোট বাংলাদেশ এর সভাপতি নঈমূল আহসান জুয়েল, গার্মেন্টস শ্রমিক কর্মচারী লীগ এর সভাপতি লীমা ফেরদৌস। সভাটি সঞ্চালনা করেন কর্মজীবীনারী’র নির্বাহী পরিচালক রোকেয়া রফিক।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর এর প্রতিনিধি নুসরাত জাহান বলেন, কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর তিনটি ক্লাস্টারে করছে ১. সাধারণ বিভাগ ২. সেফটি বিভাগ এবং ৩. ¯^াস্থ্য বিভাগ। এই সব বিভাগে কাজ করতে গিয়ে পোশাক শিল্প কারখানায় নারী শ্রমিকের সুরক্ষায় তাদের কাজের পরিব্যাপ্তি আরও বাড়িয়েছেন।
নারীশ্রমিকের দক্ষতা, উদ্ভাবন এবং উৎপাদনশীলতার উপর জোর দিয়ে কর্মক্ষেত্রে নারী শ্রমিকের অনিরাপদ অবস্থা বিশ্লেষণ করেন কর্মজীবী নারীর সভাপতি ড. প্রতিমাপাল-মজুমদার।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে রাজেকুজ্জামান রতন বলেন দেশে প্রবৃদ্ধির সাথে সাথে নারীর প্রতি সহিংসতাও বাড়ছে তাই এসডিজি লক্ষ্য অর্জনও কঠিন হয়ে যাবে। নঈমূল আহসান জুয়েল বলেন এমপ্লায়ারস এসোসিয়েশনের মতো শ্রমিক সংগঠন, ফেডারেশন এবং ইউনিয়নগুলো একত্রিত হয়ে একটি সংগঠন হয়ে কাজ করলে কর্মক্ষেত্রে নারী শ্রমিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব। সেই সাথে লীমা ফেরদৌস বলেন নারীর অধিকার, নিরাপত্তা ও সুরক্ষার জন্য সর্ব প্রথম নারীকেই সচেতন হতে হবে।
সভার সমাপনী বক্তব্যে সিডও সনদ সুপারিশ নং ৩১ (গ) বাস্তবায়নের জন্য নীতি নির্ধরক এবং সরকারের প্রতি আহŸান জানান সভার সভাপতি ড. প্রতিমাপাল-মজুমদার । এছাড়া এই আয়োজনে জাতীয় পর্যায়ের শ্রমিক নেতৃবৃন্দ এবং গার্মেন্টস শিল্পের শ্রমিকগণ উপস্থিত ছিলেন
গ্রাম-শহরে নারীর সমঅধিকার নিশ্চিতকরণের এখনই সময়, নারীর মর্যাদা নিশ্চিতকরণে চাই নিরাপদ আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষ্য ”গ্রাম-শহরে নারীর সমঅধিকার নিশ্চিতকরণের এখনই সময়, নারীর মর্যাদা নিশ্চিতকরণে চাই নিরাপদ কর্মপরিবেশ” এ দাবিতে কর্মজীবী নারী বিগত ৮ মার্চ ২০১৮ বৃহস্পতিবার সকাল ১১.৩০ টায় জাতীয়্ প্রেসক্লাব চত্তরে গার্মেন্ট নারী শ্রমিকদের মানববন্ধন অনুষ্ঠিত।
বক্তারা বলেন, বাংলাদেশে প্রায় ৪০ লক্ষ নারীশ্রমিক গার্মেন্ট সেক্টরে কাজ করছে। এ শিল্পের ৮০% শ্রমিক নারী ফলে এই শিল্পের সার্বিক উন্নয়নে নারী-পুরুষের মর্যাদাপূর্ণ সহ-অবস্থান ও যৌন হয়রানী মুক্ত কর্মপরিবেশ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু বাস্তবে তারা তাদের কর্মজীবনে, ব্যক্তিজীবনে বিশেষ করে পারিবাপিরক জীবনে নানা নিরর্যাতন এবং নিপীড়েনের শিকার হচ্ছে। যারা বিরুদ্ধে আজও নারীরা তাদের সমাজে এবং কর্মক্ষেত্রে সমমর্যাদা, সমঅধিকার এবং যৌন নির্যানের নির্যাতনের বিরুদ্ধে আন্দোলন করে যাচ্ছে। বক্তারা দাবী জানান সকল প্রকার কর্মক্ষেত্রে ‘নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে’ (মহামান্য হাইকোর্ট নির্দেশনা ২০০৯) অ
বিলম্বে পূর্ণাঙ্গ আইনরূপে প্রকাশ ও বাস্তবায়নে কার্য্কর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।
কর্মজীবী নারী’র সভাপতি ড. প্রতিমা পাল-মজুমদার সভাপতির ভাষনে বলেন গ্রামের নারীরা প্রান্তিক অবস্থানের কারণে সুযোগ-সুবিধা এবং অধিকার প্রাপ্তিতে শহরের নারীদের চেয়ে অনেক পেছনে অবস্থান করছে। আমরা আজকের এ দিনে শহর এবং গ্রামের নারীদের মধ্যেও সমসুযোগের দাবি তুলছি।
মানব বন্ধনে সভাপতিত্ব করেন কর্মজীবী নারী’র সভাপতি ড. প্রতিমা পাল-মজুমদার। এছাড়া আরো উপস্থিত ছিলেন কর্মজীবী নারীর পরিচালক সানজিদা সুলতানা এবং রাহেলা রব্বানী। বিশেষ বক্তা হিসেবে উপস্থিত কর্মজীবী নারী এবং বিভিন্ন ট্রেড ইউনিয়নের নারী নেতৃবৃন্দ।
The page you requested could not be found. Try refining your search, or use the navigation above to locate the post.
পোশাক খাত নিয়ে ‘কর্মজীবী নারী’র জরিপ
বর্তমানে প্রায় ৪৪ লাখ শ্রমিক কাজ করেন দেশের পোশাক খাতে। শিল্পের শুরু থেকে এ খাতে নারী শ্রমিকের আধিক্য ছিল। গবেষণায় দেখা গেছে, আগে পোশাক খাতে ৮০ শতাংশের বেশি নারী শ্রমিক কাজ করলেও বর্তমানে এ হার ৬০ শতাংশে নেমে এসেছে। এ নারী শ্রমিকরা কারখানায় বিভিন্নভাবে হয়রানির শিকার হন— এ অভিযোগ অনেক পুরনো। সাম্প্রতিক গবেষণা প্রতিবেদন অনুযায়ী কারখানায় নারী শ্রমিকের ৮৫ শতাংশ শিকার হন মৌখিক হয়রানির।
চলতি বছর জানুয়ারি মাসে ‘স্টেট অব রাইটস ইমপ্লিমেনটেশন অব উইমেন রেডিমেড গার্মেন্ট ওয়ার্কার্স’ শীর্ষক প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। কেয়ার বাংলাদেশের সহযোগিতা ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের অর্থায়নে কর্মজীবী নারীর উদ্যোগে ‘ঐক্য’ প্রকল্পের আওতায় তৈরি পোশাক শিল্পে নারী শ্রমিকের কর্মপরিবেশের ওপর গবেষণাটি করা হয়েছে। সংখ্যাগত পদ্ধতি (কোয়ান্টিটেটিভ অ্যাপ্রোচ) ব্যবহার করে ঢাকা ও গাজীপুর এলাকার মোট ১৫০ নারী শ্রমিকের ওপর জরিপ চালিয়ে প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, পোশাক কারখানার কর্মপরিবেশে মৌখিক, যৌন, মানসিক ও শারীরিক— এ চার ধরনের হয়রানির শিকার হন নারী শ্রমিক। ৮৪ দশমিক ৭ শতাংশ নারী শ্রমিক শিকার হন মৌখিক হয়রানির। যৌন হয়রানির শিকার হন এমন নারী শ্রমিক ১২ দশমিক ৭ শতাংশ। ৭১ দশমিক ৩ শতাংশ নারী শ্রমিক মানসিক হয়রানির শিকার হন কর্মপরিবেশে। আর শারীরিক হয়রানির শিকার নারী শ্রমিকের ২০ শতাংশ।
গবেষণা কার্যক্রমে নেতৃত্ব দিয়েছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. জাকির হোসেন। বণিক বার্তাকে তিনি বলেন, আগের চেয়ে পরিস্থিতি ভালো হলেও কারখানায় কর্মপরিবেশে নারী শ্রমিকদের হয়রানি করা বন্ধ হয়নি। পরিস্থিতি এমন যে, বিশেষভাবে কোনো স্পর্শ যে যৌন হয়রানি হতে পারে, সেই বিষয়টিও অনুধাবন করতে পারেন না নারী শ্রমিক। এ বিষয়গুলো নজরদারি ও তদারকির আইনি সংস্থা কল-কারখানা অধিদপ্তর। কিন্তু সেই দায়িত্ব পালনের সক্ষমতা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে।
যোগাযোগ করা হলে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ কল-কারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের (ডিআইএফই) সঙ্গে। সংস্থাটির অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক ড. মো. আনোয়ার উল্লাহ বণিক বার্তাকে বলেন, শ্রম আইনে সুস্পষ্ট বলে দেয়া আছে শ্রমিকের যেকোনো ধরনের হয়রানির বিষয়ে অভিযোগ গঠন করা যাবে। এ অভিযোগ গঠনের বিভিন্ন পদ্ধতি আছে। কারখানায় অ্যাবিউজ হওয়া শ্রমিক যদি নাম প্রকাশ না করেও অভিযোগ গঠন করেন, সে বিষয়ে পদক্ষেপ আমরা গ্রহণ করব।
গবেষণায় নারী শ্রমিকের কাজের চুক্তিসংক্রান্ত বিষয়গুলোর দুর্বল পরিস্থিতি উঠে এসেছে। অ্যাপয়েনমেন্ট লেটার, পে স্লিপ, অ্যাটেনডেন্স কার্ড, আইডেনটিটি কার্ড, সার্ভিস বুক থাকার মতো আইনি বাধ্যবাধকতাগুলো যথাযথভাবে পালন করা হয় না। দেখা গেছে, ৩১ দশমিক ৩ শতাংশ নারী শ্রমিক অ্যাপয়েনমেন্ট লেটার পান না, আইডেনটিটি কার্ড পান না ২৪ দশমিক ৭ শতাংশ, পে স্লিপ পান না ৩২ শতাংশ, সার্ভিস বুক পান না ৫১ দশমিক ৩ শতাংশ এবং অ্যাটেনডেন্স কার্ড পান না ১ দশমিক ৩ শতাংশ নারী শ্রমিক।
Published link: Bonik Barta, News Paper