Watch Report on Rights Implementation Status of Women Workers in Bangladesh’s Ready-Made Garment Industries

Watch Report on Rights Implementation Status of Women Workers in Bangladesh’s Ready-Made Garment Industries

Jakir Hossain, Mostafiz Ahmed, and Afroza Akter | Click for PDF


Executive Summary

The objective of this watch report is to unearth the implementation status of the rights of women workers of RMG in Bangladesh and formulate a set of key actions for advocacy. To attain the objective, the study employed a mixed method approach. Quantitative data is drawn from questionnaire survey administered with 390 women workers (154 respondents from Dhaka, 116 respondents each from Gazipur, and Narayanganj). Qualitative information is drawn from three FGDs (one each in Dhaka, Gazipur, and Narayanganj) and KIIs with policymakers, gender expert, representatives of employers’ association, Trade unions, Civil Society Organization (CSO) and Labour Rights NGOs.

Bangladesh is obliged to uphold workers’ rights through the international workers’ rights and human rights instruments that include ILO conventions, Universal Declaration on Human Rights (UDHR), International Covenant on Civil and Political Rights (ICCPR), International Covenant on Economic Social and Cultural Rights (ICESCR), and Convention on Elimination of All Forms of Discrimination Against Women (CEDAW); and national legal and policy instruments comprise the Constitution, Bangladesh Labour Act (BLA) 2006, Bangladesh Labour Rules (BLR) 2015, National Occupational Safety and Health Policy (OSH Policy), National Labour Polcy (2012), Fire Prevention and Extinguishing Act 2003 (FPEA 2003), Bangladesh National Building Code 2006 (BNBC 2006), Penal Code and the verdict of the High Court.

Rights coverage of women workers of RMG has been examined based on both international and national standards in several broad areas—employment contract; workplace discrimination and harassment; working time, rest, and leave; welfare; social protection; and freedom of association and collective bargaining. This study finds positives changes in the legal instruments. However, there are gray areas also. In many areas there are considerable gaps and debates. The recent labour law amendment has significantly improved the issues of festival bonus, restricted employment of children under 14 years of age, has eased, to some extent, the condition of TU registration process, has included provisions on SOP and anti-union discrimination and has increased the amount of compensation (although not according to ILO convention). However, the amendment has also created tensions among the workers. It has created a scope to expand daily working hours; has not increased the maternity leave to make it consistent with government sector employees/workers; has retained precondition for TU formation; has created the scope of a reduction in benefits for compensatory leave and festival leave. Moreover, the law still misses specific provisions on accommodation, pension, medical allowance, rehabilitation, alternative skill development, violence against women at the workplace, and workers’ skill development.

প্রেস বিজ্ঞপ্তি: গবেষণা বিষয়ক অনলাইন মতবিনিময় সভা

প্রেস বিজ্ঞপ্তি: গবেষণা বিষয়ক অনলাইন মতবিনিময় সভা

অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতের নারীশ্রমিকদের অবদানকে তুলে ধরতে এবং তাদের অধিকার-মর্যাদা প্রতিষ্ঠার লক্ষে’ বিউটি পার্লার ও নন-ক্লিনিক্যাল স্বাস্থ্য সেবা কর্মীদের উপর পরিচালিত গবেষণার ওপর মতবিনিময় সভা অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতে কর্মীদের কর্মসংস্থান সম্পর্কিত অধিকার আইন দ্বারা নিশ্চিত করতে হবে

নারী শ্রমিক কন্ঠ আজ ১১ নভেম্বর, ২০২১ বিকাল ৩.০০ ঘটিকায় অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতে নারী শ্রমিকদের অবদানকে তুলে ধরা এবং এই খাতের নারী শ্রমিকদের অধিকার মর্যাদা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বিউটি পার্লার ও হাসপাতালের কর্মীদের ওপর কড়া গবেষণা এর ওপর অনলাইন মত বিনিময় সভার (Study Sharing Consultation) আয়োজন করে

KN_Care Economy Workers_Presentation | Post press release _Karmojibi Nari

 

Workers’ Rights in Bangladesh’s Informal Care Economy: Addressing Decent Work Deficits of Personal Care and Non-Clinical Health Care Workers

মহোদয়
‘নারীশ্রমিক কন্ঠ’- এর পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা!

‘নারীশ্রমিক কণ্ঠ’ নারীশ্রমিকদের ঐক্যবদ্ধ একটি প্লাটফর্ম। ‘কর্মজীবী নারী’ এর সচিবালয় হিসেবে কাজ করছে। ‘নারীশ্রমিক
কণ্ঠ’ অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতের নারীশ্রমিকদের অবদানকে তুলে ধরা এবং এই খাতের নারীশ্রমিকের অধিকার-মর্যাদা প্রতিষ্ঠার
লক্ষ্যে বিউটি পার্লার ও হাসপাতালের কর্মীদের উপর ‘’Workers’ Rights in Bangladesh’s Informal
Care Economy: Addressing Decent Work Deficits of Personal Care and NonClinical Health Care Workers”
শীর্ষক একটি গবেষণা কাজ সম্পন্ন করেছে।

উক্ত গবেষণার গবেষণা প্রতিবেদনের উপর আগামী ১১ নভেম্বর, ২০২১ রোজ বৃহস্পতিবার, বিকাল ৩:০০-৫:০০ টা পর্যন্ত
একটি অনলাইন মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়েছে। উক্ত সভায় সভাপতিত্ব করবেন কর্মজীবী নারী’র প্রতিষ্ঠাতা
সভাপতি ও নারীশ্রমিক কন্ঠে’র আহ্বায়ক শিরীন আখতার, এমপি। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত থাকবেন গবেষক, শ্রমিক
নেতৃবৃন্দ, উন্নয়ন সংগঠনের প্রতিনিধিবৃন্দ, সাংবাদিকবৃন্দ, নারীশ্রমিক কণ্ঠে’র নেতৃবৃন্দ ও নারীশ্রমিক বোনেরা।

Click For Details: Press invitation _Karmojibi Nari

“কর্মক্ষেত্রে যৌন হয়রানি ও সহিংসতা প্রতিরোধে আইএলও কনভেনশন ১৯০ অনুস্বাক্ষর ও শ্রম আইনের সংশোধন” বিষয়ক: জাতীয় সংলাপ

Co-funded by the European Union | PDF

“কর্মক্ষেত্রে যৌন হয়রানি ও সহিংসতা প্রতিরোধে আইএলও কনভেনশন ১৯০ অনুস্বাক্ষর ও শ্রম আইনের সংশোধন”

বিষয়ক
জাতীয় সংলাপ

ধারণাপত্র
আমরা জানি, অর্থনীতির চাকা ঘোরে শ্রমিকের শ্রমে ও ঘামে। খাদ্যের নিশ্চয়তা, অর্থনীতিকে সচল রাখা, দেশকে স্ব-নির্ভর রাষ্ট্র হিসাবে গড়ে তোলার পেছনে আছে শ্রমজীবীদের অক্লান্ত পরিশ্রম যেখানে নারীশ্রমিকের অংগ্রহণ ক্রমশ: বাড়ছে। প্রাতিষ্ঠানিক এবং অ-প্রাতিষ্ঠানিক উভয়খাতে নারীশ্রমিকের সংখ্যা ক্রমাগত বৃদ্ধি পেলেও কর্মস্থলে নারীবান্ধব কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করা যায় নি, প্রতিরোধ করা যায় নি কর্মক্ষেত্রে যৌন হয়রানি। অথচ আমরা জানি, কর্মক্ষেত্রে যে কোন ধরনের যৌন হয়রানি মানবাধিকারের সুষ্পষ্ট লঙ্ঘন ও উন্নয়নের ক্ষেত্রে একটি প্রতিবন্ধকতা।

কর্মজীবী নারী ২০১৯ সালে ‘তৈরি পোশাক কারখানায় নারীবান্ধব ও নিরাপদ কর্মপরিবেশ’ সংক্রান্ত এক গবেষণা পরিচালনা করে। এই গবেষণাটি ৩২৭ টি পোশাক কারখানার ৩,০১৪ জন নারী শ্রমিকদের সাথে পরিচালিত হয়। গবেষণায় দেখা গেছে, ৭২ শতাংশ নারী শ্রমিক মৌখিক হয়রানির এবং ৬২ শতাংশ নারী শ্রমিক মানসিক হয়রানির অভিযোগ করেছেন। এছাড়াও, ২১ শতাংশ নারী শ্রমিক শারীরিক হয়রানির এবং ১৪ শতাংশ নারী শ্রমিক যৌন হয়রানির শিকার হয়েছেন বলে জানিয়েছেন। প্রাতিষ্ঠানিক খাত – যেমন পোশাক শিল্পে কাজ করা শ্রমিকদের কর্মপরিবেশের এই চিত্র থেকে আমরা অনুমান করতে পারি অ-প্রাতিষ্ঠানিক খাতে কাজ করা নারীদের অবস্থা আরও ভয়াবহ, কারণ তাদের জন্য এখনো পযন্ত কোন আইনী কাঠামো গড়ে ওঠে নি।

লক্ষণীয় বিষয় এই যে, কর্মক্ষেত্রে নারীশ্রমিকের প্রতি সহিংসতা, হয়রানি এবং বৈষম্য একটি চলমান সমস্যা হলেও এই ঘটনাগুলি প্রায়ই প্রকাশিত হয় না। কারণ দরিদ্র নারীশ্রমিকরা আশঙ্কা করেন যে, তারা সহিংসতা ও হয়রানি বিষয়ে অভিযোগ করলে তাদের চাকরির নিরাপত্তা থাকবে না। বর্তমান মহামারী পরিস্থিতিতে এই আশঙ্কা আরও বেড়েছে, যেখানে বেঁচে থাকার প্রয়োজন শ্রমিকদের অধিকার উপেক্ষা করার যুক্তি হিসাবে ব্যবহৃত হয়। এই কারণে কর্মজীবী নারী এবং শ্রম অধিকার নিয়ে কাজ করে এমন প্রতিষ্ঠান ও অংশীদাররা মনে করে যে, কর্মক্ষেত্রে নারীর প্রতি যৌন হয়রানি প্রতিরোধে অধিকতর আইনি সুরক্ষার দাবী করার সময় এখনই।

কর্মক্ষেত্রে ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যৌন হয়রানি প্রতিরোধে ২০০৯ সালের ১৪ মে মহামান্য হাইকোর্ট সকল প্রতিষ্ঠানে যৌন হয়রানি প্রতিরোধ ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য ১১টি দফা সম্বলিত সুনিদির্ষ্ট নির্দেশনা প্রদান করেন যেগুলো প্রতিপালন করা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর দায়িত্ব। অন্যদিকে ২০১৯ সালে আইএলও “কর্মক্ষেত্রে সহিংসতা ও হয়রানি নিরসন কনভেনশন-১৯০” (“ইলেমিনেশন অব ভায়োলেন্স এন্ড হেরাসমেন্ট ইন দি ওয়ার্ল্ড অব ওয়ার্ক” প্রণয়ন করে যা একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। বাংলাদেশ সরকার এই কনভেনশনটি এখনো অনুস্বাক্ষর করেনি।

আমরা মনে করি, কর্মক্ষেত্রে যৌন হয়রানি প্রতিরোধে ২০০৯ সালের মহামান্য হাইকোর্টের নির্দেশনা অনুযায়ী শ্রম আইনের সংশোধন করা হবে নাকি কর্মক্ষেত্রে হয়রানি প্রতিরোধে নতুন একটি আইন প্রণয়ন করা হবে – এ বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে একটি সুস্পষ্ঠ নীতিমালা ঠিক করা আজ সময়ের দাবী। একইসাথে বাংলাদেশ সরকারকর্তৃক আইএলও কনভেনশন ১৯০ অনুস্বাক্ষরেরদাবী আজ সকলের। কর্মক্ষেত্রে যৌন হয়রানী বন্ধে এই কনভেনশনটি বাংলাদেশ কর্তৃক গৃহীত হলে তা এই ক্ষেত্রে বাংলাদেশের প্রতিশ্রুতিকে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে যেমন সুদৃঢ় করবে তেমনি বাংলাদেশ সরকারের ভাবমূর্তি আরো উজ্জ্বল করবে বলে আমাদের বিশ^াস ।

এই প্রেক্ষাপটে “কর্মক্ষেত্রে যৌন হয়রানি ও সহিংসতা প্রতিরোধে আইএলও কনভেনশন ১৯০ অনুস্বাক্ষর ও শ্রম আইনের সংশোধন” বিষয়ক একটি জাতীয় সংলাপের আয়োজন করা হয়েছে। এই সংলাপের উদ্দেশ্য হল:

➢ কর্মক্ষেত্রে যৌন হয়রানি প্রতিরোধে ২০০৯ সালের মহামান্য হাইকোর্টের নির্দেশনা বাস্তবায়নে সরকারের পক্ষ থেকে যেন একটা সুস্পট গাইডলাইন পাওয়া যায় সে বিষয়ে এবং
➢ বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক আইএলও’র “কর্মক্ষেত্রে সহিংসতা ও হয়রানি নিরসন কনভেনশন-১৯০”-এর অনুস্বাক্ষর বিষয়ে সংলাপ

জাতীয় সংলাপটি কর্মজীবী নারী কর্তৃক ‘একতায় মর্যাদা’ – প্রকল্পের কার্যক্রমের আওতায় আয়োজিত হচ্ছে। প্রকল্পটি ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন-এর আর্থিক সহযোগিতায় এবং টেরে ডেস হোমস ইটালিয়া, কর্মজীবী নারী ও সবুজের অভিযান ফাউন্ডেশন কর্তৃক বাস্তবায়িত হচ্ছে। এছাড়া এই সংলাপটি আয়োজনে সহযোগিতা করছে শ্রম অধিকার বিষয়ক দুটি নেটওয়ার্ক – শ্রমিক নিরাপত্তা ফোরাম (এসএনএফ) ও গৃহশ্রমিক অধিকার প্রতিষ্ঠা নেটওয়ার্ক (উডজঘ)।

উক্ত সংলাপে অলোচ্য বিষয়ে মতামত প্রদানের জন্য বিষয়সংশ্লিষ্ট নীতি নির্ধারক, শ্রম অধিকার বিষয়ক জাতীয় ও আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান/এজেন্সি, ট্্েরড ইউনিয়ন, গবেষক এবং মিডিয়া প্রতিনিধিদের আমন্ত্রণ জানানো হবে। আমরা আশা করছি আয়োজিত সংলাপের মাধ্যমে একদিকে অংশগ্রহণকারী ব্যক্তিবর্গ যেমন আইএলও কনভেনশন-১৯০ ও শ্রম আইনের সীমাবদ্ধতা সম্পর্কে জানতে পারবেন অন্যদিকে তাদের পরামর্শ ও সুপারিশের ওপর ভিত্তি করে আয়োজন সংস্থাসমূহ ভবিষ্যত কর্ম-পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নে দিক নির্দেশনা পাবে। এছাড়া আইএলও কনভেনশন অনুসমর্থন ও বাস্তবায়নে এ সংলাপের মাধ্যমে একটি নির্দিষ্ট সুপারিশমালা প্রণীত হবে যা কার্যকর হলে কর্মক্ষেত্রে সকল প্রকার সহিংসতা ও হয়রানি বন্ধ হবে বলে আশা করা যায়।

সংলাপে অংশগ্রহণকারী ব্যক্তিবর্গের সংখ্যা: ৬০ জন
অংশগ্রহণকারী ব্যক্তিবর্গের ধরন: জাতীয় ও আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থার ব্যক্তিবর্গ, ট্রেড ইউনিয়ন, সুশীল সমাজ এবং শ্রমিক প্রতিনিধি।

সংক্ষিপ্ত পরিচিতিসহ আয়োজক সংস্থাসমূহের নাম:

কর্মজীবী নারী: এটি বাংলাদেশের একটি অলাভজনক, বেসরকারি নারী- নেতৃত্বাধীন সংগঠন যারা ১৯৯১ সাল থেকে নারী ও নারীর অধিকার, মর্যাদা, ক্ষমতা এবং কর্তৃত্ব নিশ্চিত করার জন্য কাজ করছে। সংগঠনটি প্রাতিষ্ঠানিক ও অ-প্রাতিষ্ঠানিক খাতে কর্মরত নারীদের সংগঠিত করা, সচেতন করা ও নেতৃত্ববিকাশে উদ্যোগ নিয়ে থাকে। নারী ও নারীশ্রমিক বিষয়ে গবেষণা পরিচালনা করে থাকে এবং শ্রমিক অধিকার বিষয়ে সরকার, নীতি নির্ধারক ও সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের সাথে অ্যাডভোকেসি করে থাকে।

সবুজের অভিযান ফাউন্ডেশন: সংস্থাটি ২০০৫ সাল থেকে সুবিধাবঞ্চিত নারী ও শিশুদের সন্তানদের জন্য পড়াশোনা, চিকিৎসা, দিবাযত্নকেন্দ্র, কমিউনিটি উন্নয়ন ইত্যাদি পরিসেবা নিশ্চিত করার মাধ্যমে সুবিধাবঞ্চিতদের জন্য কাজ করে যাচ্ছে।

টেরে ডেস হোমস ইতালিয়া: এটি একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা যা বাংলাদেশে ১৯৯৬ সাল থেকে স্থানীয় অংশীদারদের সাথে নিয়ে কাজ করছে। টিডিএইচ ইতালিয়া-এর প্রকল্পগুলি মূলত কিশোর -কিশোরীদের ক্ষমতায়ন এবং সুরক্ষা, নিরাপদ অভিবাসন, শ্রমিকদের অধিকার এবং সুবিধাবঞ্চিত শিশু ও কিশোর-কিশোরীদের শিক্ষাগত সহায়তা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে কাজ করে থাকে।

গৃহশ্রমিক অধিকার প্রতিষ্ঠা নেটওয়ার্ক (Domestic Worker’s Rights Networks (DWRN): ২০০৬ সালে প্রতিষ্ঠিত একটি নাগরিক সামাজিক প্ল্যাটফর্ম যা গৃহকর্মীদের অধিকার সুরক্ষার পক্ষে কাজ করে এবং শ্রম আইনের আওতায় গৃহকর্মীদের অন্তর্ভুক্ত করার জন্য কাজ করে। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সকল শক্তিকে একত্রিত করে সচেতনতা সৃষ্টির মাধ্যমে জোরালো আওয়াজ তুলে শ্রমিকদের নিজেদের মধ্যে সংগঠিত করে এবং তাদের অধিকার আদায়েরজন্য সোচ্চার কণ্ঠস্বর।

শ্রমিক নিরাপত্তা ফোরাম (Workers’ Safety Forum (SNF): ২০০৫ সালে জাতীয় পর্যায়ের মানবাধিকার সংগঠন, জাতীয় ট্রেড ইউনিয়ন ফেডারেশন, শ্রমিক অধিকার ও পরিবেশ নিয়ে কর্মরত উন্নয়ন সংস্থার সম্মিলিত প্লাটফর্ম হিসেবে প্রতিষ্ঠিত। শ্রমবান্ধব নিরাপদ কর্মক্ষেত্র নিশ্চিত করা এবং কর্মক্ষেত্রের দুর্ঘটনায় নিহত শ্রমিকের ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার ও আহত শ্রমিকদের উপযুক্ত চিকিৎসা, ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসনসহ ক্ষতিগ্রস্ত শ্রমিকদের ন্যায়বিচার প্রাপ্তি ও তাদের সহায়তাকল্পে ‘শ্রমিক নিরাপত্তা ফোরাম-এসএনএফ’ ভুমিকা রাখছে। এছাড়া সবার জন্য নিরাপদ কাজ এই লক্ষ্য নিয়ে ‘শ্রমিক নিরাপত্তা ফোরাম’ সরকার, নীতি নির্ধারক ও কারখানার মালিকদের সংগঠন/সমিতিসহ সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের সাথে অ্যাডভোকেসি, জনমত গঠন এবং বিভিন্ন দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত শ্রমিকদের সহায়তা প্রদানে কাজ করছে।

প্রেসবিজ্ঞপ্তি: ফেনীতে শ্বশুরবাড়ির নির্যাতনের শিকার গৃহবধু খালেদা হোসেন অমিসহ নির্যাতিত সকল নারীর ন্যায়বিচারের দাবিতে কর্মজীবী নারী’র বিবৃতি

প্রেসবিজ্ঞপ্তি
২৮ আগষ্ট, ২০২১

ফেনীতে শ্বশুরবাড়ির নির্যাতনের শিকার গৃহবধু খালেদা হোসেন অমিসহ নির্যাতিত সকল নারীর ন্যায়বিচারের দাবিতে কর্মজীবী নারী’র বিবৃতি:

পরশুরামের সাতকুচিয়ার পূর্ব দরবারপুর গ্রামে যৌতুকের জন্য শ্বশুর বাড়ির লোকেদের দ্বারা নির্মম নির্যাতনের শিকার হয়েছেন ফুলগাজীর মেয়ে খালেদা হোসেন অমি। স্বামী আব্দুল হালিম লিখনের প্রবাসে থাকার সুযোগে শাশুড়ি খাইরুননেসা, ননদ হাসিনা বেগম, হাসিনার স্বামী আবুল কাশেমসহ পরিবারের সকলে প্রায় সময় খালেদা হোসেন অমির উপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালিয়ে আসছিল। পারিবারিক কলহের জের ধরে বিভিন্ন সময় তার উপর পাশবিক নির্যাতন করা হতো। সম্প্রতি তাকে বিষধর সাপ দিয়ে হত্যার চেষ্টা করা হয়। পরবর্তীতে চিকিৎসার নাম করে চোখ মুখ বেঁধে ওঝা দিয়ে শরীরে সাপ ছেড়ে দেয়া হয়। ভয়াবহ মানসিক নির্যাতনের শিকার হয়ে যখন সে তার মায়ের বাড়িতে অবস্থান করছিল তখন শ্বশুর বাড়ি থেকে ননদ ও ননদের স্বামীসহ কয়েকজন তাদের বাড়িতে এসে পরিবারের অন্য সদ্স্যদের সাথে বাক-বিতণ্ডা ও মারামারি করে এবং অসুস্থ অমিকে বিছানায় থাকা অবস্থায় নির্মমভাবে হত্যার চেষ্টা করে। এ ঘটনায় ফুলগাজী থানায় মামলা করেছেন খালেদা হোসেন অমি। মামলার আসামী ননদ হাসিনা বেগম ও তার স্বামী আবুল কাশেম বর্তমানে জেল হাজতে আছেন। নির্যাতনের শিকার খালেদা হাসান অমি বর্তমানে ঢাকার শমরিতা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছেন। প্রতিহিংসার জের ধরে বর্তমানে অমির চরিত্র নিয়ে ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নেতিবাচক প্রচার প্রচারণা চালাচ্ছে শ্বশুর বাড়ির লোকজন। কর্মজীবী নারী’র সভাপতি ড. প্রতিমা পাল মজুমদার, সহ-সভাপতি উম্মে হাসান ঝলমল, সাধারণ সম্পাদিকা শারমিন কবীর ও ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী পরিচালক সানজিদা সুলতানাসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানান। নেতৃবৃন্দ বলেন, এই ঘটনায় প্রতীয়মান হয় যে, এ সমাজে নারীরা প্রচলিত ধ্যান-ধারণার কাছে কতটা অসহায়। এ সমাজে কন্য শিশু এখোনো অবাঞ্চিত। তাকে সহজে গ্রহন করতে এ সমাজ এখোনো অভ্য¯ত হয়ে ওঠেনি। নারীকে মানুষ হিসেবে দেখতে বা ভাবতে কষ্ট হয়। খালেদা আক্তার অমির ছেলে সন্তান না হওয়ায় কারণেও তাকে শ্বশুরবাড়ির লোকজন শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করত। নির্যাতনের শিকার খালেদা আক্তার অমি কথাও বলতে পারছে না। তাঁরা আরও বলেন, বিশ্ব যখন করোনা মহামারীর সংকটে নিপতিত তখন দেশে নারী ও শিশু নির্যাতনের এসব ভয়াবহ ঘটনা সকলকে উদ্বিগ্ন করছে। সমাজে এখনো নারীরা যৌতুকের জন্য পাশবিক নির্যাতনের শিকার হচ্ছে। আদিম উপায়ে নারীকে নির্যাতন করা হচ্ছে। নেতৃবৃন্দ খালেদা হোসেন অমিসহ সকল নারীর উপর সংঘটিত পারিবারিক ও সামাজিক নির্যাতনের ন্যায়বিচারের দাবি করে এবং নারীর প্রতি সকল প্রকার সহিংসতা প্রতিরোধে সবাইকে এক সাথে কাজ করার আহবান জানান।

বার্তা প্রেরক
কাজী গুলশান আরা দীপা
প্রশিক্ষক
কর্মজীবী নারী
যোগাযোগ: ০১৭১৬৮৬৪৪৭২